নিজস্ব প্রতিবেদক
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামে আয়োজিত ঐতিহাসিক ৫৫তম জশনে জুলুসে দূর-দূরান্ত থেকে আসা লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ আশেকে রাসুলের সেবায় এক অনন্য মানবিক আতিথেয়তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ ইয়াছিন এক্সপ্রেস প্রাইভেট লিমিটেড
ও ইয়াছিন এক্সপ্রেস সিএনজি ফিলিং স্টেশন। আজ বুধবার ঐতিহ্যবাহী এই জুলুস নগরীর দামপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় প্রতিষ্ঠান দুটির পক্ষে আগত মুসল্লিদের মাঝে দিনভর শীতল শরবত ও শুষ্ক খাবার বিতরণ করা হয়।
ভোর থেকেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত ও দেশের নানা অঞ্চল থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষ প্রিয় নবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে বন্দরনগরীতে সমবেত হন। সকাল থেকে দীর্ঘ পথ হেঁটে দামপাড়া এলাকায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে অনেক মুসল্লিই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। বিশেষ করে প্রচণ্ড ভিড় ও গরমের মাঝে তাদের এই ক্লান্তি দূর করতে ইয়াছিন এক্সপ্রেস-এর পক্ষ থেকে নেওয়া হয় এই বিশেষ সেবা কার্যক্রম। দামপাড়ার মূল সড়কের পাশে বিশাল বুথ স্থাপন করে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে লাখো মানুষের মাঝে এই শরবত ও খাবার বিতরণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা কোনো প্রকার যান্ত্রিক আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই পরম আন্তরিকতায় মুসল্লিদের সেবা দেন। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসা তৃষ্ণার্ত মুসল্লিরা এক গ্লাস ঠান্ডা শরবত আর খাবারের প্যাকেট হাতে পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন। অনেক বয়োবৃদ্ধ ও শিশু মুসল্লিদের পরম যত্নে আগলে রেখে সেবা দিতে দেখা যায় ইয়াছিন এক্সপ্রেসের কর্মীদের।
সেবা কার্যক্রম চলাকালীন ইয়াছিন এক্সপ্রেসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানান, রাজনীতি বা ব্যবসার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং ধর্মীয় দায়বদ্ধতা থেকেই প্রতিবছর তারা এই ধরনের মানবিক কাজে সম্পৃক্ত হন। নবীপ্রেমিক লাখো মানুষের তৃষ্ণা মেটাতে পারা এবং তাদের মুখে একটুখানি স্বস্তির হাসি ফোটানোই এই আয়োজনের মূল সার্থকতা। ভবিষ্যতেও জশনে জুলুসে আসা ধর্মপ্রাণ ভাইদের সেবায় এই ধরনের কল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
জুলুসে অংশ নেওয়া সাধারণ মুসল্লিরা ইয়াছিন এক্সপ্রেস প্রাইভেট লিমিটেড ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনের এই সময়োপযোগী ও আন্তরিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাদের এই কল্যাণমুখী উদ্যোগের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।












