ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ডিজিটালাইজড অ্যাটেনডেন্স চালু

  • আপডেট সময় : ০৮:২০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৫
  • 354

স্টাফ রিপোর্টার,
718
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডিজিটালাইজড অ্যাটেনডেন্স সফটওয়ার সিস্টেম চালু করা হয়েছে। বুধবার সকালে নগর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিস্টেমের উদ্বোধন করেন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। এতে করে করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত এবং তাদের দপ্তরে নির্ধারিত সময়ে আসা-যাওয়া মনিটর করা সহজ হবে।

মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, ‘শেখ হাসিনা কর্তৃক ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে স্মার্ট সিটি কর্পোরেশন গড়ে তোলার অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।’

তিনি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালনের মধ্য দিয়ে নগরবাসীর নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য বিধানে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সকলে সচেষ্ট হলেই কেবল আমাদের প্রিয় এ নগরীকে সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

এ সময় সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনছার আলী খানসহ বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধানগণ ও সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে নগর ভবনের ২টি অঞ্চলসহ কেন্দ্রীয়ভাবে সকল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ১ হাজার ৮৫ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৩টি হাসপাতাল ও ৩টি আঞ্চলিক কার্যালয়ে এ ডিজিটাল সিস্টেম চালু করা হবে।

মেধাবী তরুণদের হাত ধরেই বৈষম্যহীন মানবিক রাষ্ট্র গড়ে উঠবে: চট্টগ্রামে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় সাঈদ আল নোমান

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ডিজিটালাইজড অ্যাটেনডেন্স চালু

আপডেট সময় : ০৮:২০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
718
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডিজিটালাইজড অ্যাটেনডেন্স সফটওয়ার সিস্টেম চালু করা হয়েছে। বুধবার সকালে নগর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিস্টেমের উদ্বোধন করেন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। এতে করে করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত এবং তাদের দপ্তরে নির্ধারিত সময়ে আসা-যাওয়া মনিটর করা সহজ হবে।

মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, ‘শেখ হাসিনা কর্তৃক ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে স্মার্ট সিটি কর্পোরেশন গড়ে তোলার অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।’

তিনি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালনের মধ্য দিয়ে নগরবাসীর নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য বিধানে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সকলে সচেষ্ট হলেই কেবল আমাদের প্রিয় এ নগরীকে সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

এ সময় সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনছার আলী খানসহ বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধানগণ ও সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে নগর ভবনের ২টি অঞ্চলসহ কেন্দ্রীয়ভাবে সকল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ১ হাজার ৮৫ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৩টি হাসপাতাল ও ৩টি আঞ্চলিক কার্যালয়ে এ ডিজিটাল সিস্টেম চালু করা হবে।