ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টি, ১৩ জনের কারাদণ্ড

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • 354

1317

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অজ্ঞান ও মলম পার্টির ১৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তারা হলেন—আলী হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, মনু মিয়া, ওমর ফারুক ওরফে কালু, আমির হোসেন ওরফে টুকন, রনি, সোহেল, বাদল মিয়া, সেলিম, লিটন মিয়া, বাবু, কালাম ও আকবর।

বুধবার সকালের অভিযানে তাদের কাছ থেকে মলম, মরিচের গুড়া, চেতনানাশক ঔষধ, ডিপ হিট স্প্রে উদ্ধার করা হয়েছে। দোষ স্বীকার করায় অজ্ঞান ও মলম পাটির ১৩ সদস্যকে এক মাস থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড দেন ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমান।

ডিবির ডিসি (দক্ষিণ) মাসরুকুর রহমান খালেদ জানান—তারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে কৌশলে চোখে মলম মাখিয়ে ও ট্যাবলেট খাইয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপ, মোবাইল ইত্যাদি নিয়ে যায়।

এ ছাড়াও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে তারা পশুর হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের বিভিন্ন কৌশলে অজ্ঞান করে। পরে তাদের গরু ও ছাগলসহ টাকা-পয়সা লুট করে।

গ্রেফতারকৃত বাদল জানান—তিনি ৪-৫ বছর ধরে এই অপরাধ করে আসছে। এর আগে গ্রেফতার হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে একই কাজ করছে।

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টি, ১৩ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1317

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অজ্ঞান ও মলম পার্টির ১৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তারা হলেন—আলী হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, মনু মিয়া, ওমর ফারুক ওরফে কালু, আমির হোসেন ওরফে টুকন, রনি, সোহেল, বাদল মিয়া, সেলিম, লিটন মিয়া, বাবু, কালাম ও আকবর।

বুধবার সকালের অভিযানে তাদের কাছ থেকে মলম, মরিচের গুড়া, চেতনানাশক ঔষধ, ডিপ হিট স্প্রে উদ্ধার করা হয়েছে। দোষ স্বীকার করায় অজ্ঞান ও মলম পাটির ১৩ সদস্যকে এক মাস থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড দেন ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমান।

ডিবির ডিসি (দক্ষিণ) মাসরুকুর রহমান খালেদ জানান—তারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে কৌশলে চোখে মলম মাখিয়ে ও ট্যাবলেট খাইয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপ, মোবাইল ইত্যাদি নিয়ে যায়।

এ ছাড়াও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে তারা পশুর হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের বিভিন্ন কৌশলে অজ্ঞান করে। পরে তাদের গরু ও ছাগলসহ টাকা-পয়সা লুট করে।

গ্রেফতারকৃত বাদল জানান—তিনি ৪-৫ বছর ধরে এই অপরাধ করে আসছে। এর আগে গ্রেফতার হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে একই কাজ করছে।