ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপরাধের বিরুদ্ধে ডবলমুরিংয়ে ‘জিরো টলারেন্স

  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • 3

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি ও মাদকের ডেরা গুঁড়িয়ে শান্তিময় নগরী গড়তে দিনরাত মাঠে ওসি আরিফ ফয়সাল

‎
‎নিজস্ব প্রতিবেদক
‎
‎আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপস নেই। অপরাধী যে-ই হোক, তার একমাত্র পরিচয় সে ‘অপরাধী’। চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম বাণিজ্যিক ও জনবহুল এলাকা ডবলমুরিং থানাকে সম্পূর্ণ শান্তিময়, নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) ঘোষণা করেছে পুলিশ। এলাকা থেকে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং এবং সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চিরতরে নির্মূল করতে ডবলমুরিং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), চৌকষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা আরিফ ফয়সাল এক কঠোর অ্যাকশন প্ল্যান নিয়ে মাঠে নেমেছেন।
‎
‎সম্প্রতি চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্ন কিছু অপরাধমূলক তৎপরতা এবং মব জাস্টিসের চেষ্টার প্রেক্ষাপটে অপরাধীদের উদ্দেশ্যে এই চরম হুঁশিয়ারি বার্তা দেন তিনি। ওসির এই অনড় ও আপসহীন অবস্থান অপরাধী মহলে যেমন কাঁপন ধরিয়েছে, তেমনি স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ী ও সাধারণ ডবলমুরিংবাসীর মনে।
‎
‎
‎থানা সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বা যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যারা ফুটপাত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন কিংবা সাধারণ মানুষের ওপর চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট সচল রাখার চেষ্টা করছে, তাদের তালিকা তৈরি করে মাঠে নেমেছে পুলিশ। একই সাথে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে বিশৃঙ্খলা বা ‘মব’ সৃষ্টির অপচেষ্টাকারীদের শক্ত হাতে দমনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
‎
ডবলমুরিং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফ ফয়সাল অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় গণমাধ্যমকে জানান আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, ডবলমুরিং থানার অধীনে কোনো প্রকার মব সৃষ্টিকারী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী কিংবা সন্ত্রাসীদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে-ই হোক, তার পেছনে যত বড় প্রভাবশালী খুঁটিই থাকুক না কেন—অপরাধের সাথে জড়িত কাউকেই আইনের আওতার বাইরে থাকতে দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের এক নম্বর অগ্রাধিকার।

‎
‎আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি জনমনে আস্থা ফেরাতে ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশের টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। ওসির নেতৃত্বে থানার বিশেষ টিম দিন-রাত সমানতালে বিভিন্ন স্পটে ঝটিকা ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে। ডবলমুরিংয়ের চিহ্নিত মাদকের স্পট, ছিনতাইপ্রবণ এলাকা এবং কিশোর গ্যাংয়ের আড্ডাস্থলগুলোতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে। অপরাধের মূল উৎপাটন না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে থানা প্রশাসন।
‎
‎
‎টেকসই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ নগরবাসীকেও অপরাধবিরোধী সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে। ডবলমুরিং থানা পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে—এলাকার কোথাও যদি কোনো মব সৃষ্টি, বেআইনি চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক কেনাবেচা কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, তবে ভয় না পেয়ে সাথে সাথে যেন পুলিশকে অবহিত করা হয়। তথ্যদাতার নাম ও পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রেখে অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‎
‎ডবলমুরিং থানার ওসির এই সময়োপযোগী, সাহসী ও জনমুখী পদক্ষেপের কারণে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একজন দক্ষ ও মাঠপর্যায়ে কঠোর অফিসারের এমন অবস্থান পুরো ডবলমুরিংয়ের নিরাপত্তা চিত্রকে বদলে দিতে শুরু করেছে।
‎
‎

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

অপরাধের বিরুদ্ধে ডবলমুরিংয়ে ‘জিরো টলারেন্স

আপডেট সময় : ০৭:২০:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি ও মাদকের ডেরা গুঁড়িয়ে শান্তিময় নগরী গড়তে দিনরাত মাঠে ওসি আরিফ ফয়সাল

‎
‎নিজস্ব প্রতিবেদক
‎
‎আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপস নেই। অপরাধী যে-ই হোক, তার একমাত্র পরিচয় সে ‘অপরাধী’। চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম বাণিজ্যিক ও জনবহুল এলাকা ডবলমুরিং থানাকে সম্পূর্ণ শান্তিময়, নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) ঘোষণা করেছে পুলিশ। এলাকা থেকে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং এবং সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চিরতরে নির্মূল করতে ডবলমুরিং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), চৌকষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা আরিফ ফয়সাল এক কঠোর অ্যাকশন প্ল্যান নিয়ে মাঠে নেমেছেন।
‎
‎সম্প্রতি চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্ন কিছু অপরাধমূলক তৎপরতা এবং মব জাস্টিসের চেষ্টার প্রেক্ষাপটে অপরাধীদের উদ্দেশ্যে এই চরম হুঁশিয়ারি বার্তা দেন তিনি। ওসির এই অনড় ও আপসহীন অবস্থান অপরাধী মহলে যেমন কাঁপন ধরিয়েছে, তেমনি স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ী ও সাধারণ ডবলমুরিংবাসীর মনে।
‎
‎
‎থানা সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বা যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যারা ফুটপাত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন কিংবা সাধারণ মানুষের ওপর চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট সচল রাখার চেষ্টা করছে, তাদের তালিকা তৈরি করে মাঠে নেমেছে পুলিশ। একই সাথে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে বিশৃঙ্খলা বা ‘মব’ সৃষ্টির অপচেষ্টাকারীদের শক্ত হাতে দমনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
‎
ডবলমুরিং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফ ফয়সাল অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় গণমাধ্যমকে জানান আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, ডবলমুরিং থানার অধীনে কোনো প্রকার মব সৃষ্টিকারী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী কিংবা সন্ত্রাসীদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে-ই হোক, তার পেছনে যত বড় প্রভাবশালী খুঁটিই থাকুক না কেন—অপরাধের সাথে জড়িত কাউকেই আইনের আওতার বাইরে থাকতে দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের এক নম্বর অগ্রাধিকার।

‎
‎আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি জনমনে আস্থা ফেরাতে ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশের টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। ওসির নেতৃত্বে থানার বিশেষ টিম দিন-রাত সমানতালে বিভিন্ন স্পটে ঝটিকা ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে। ডবলমুরিংয়ের চিহ্নিত মাদকের স্পট, ছিনতাইপ্রবণ এলাকা এবং কিশোর গ্যাংয়ের আড্ডাস্থলগুলোতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে। অপরাধের মূল উৎপাটন না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে থানা প্রশাসন।
‎
‎
‎টেকসই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ নগরবাসীকেও অপরাধবিরোধী সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে। ডবলমুরিং থানা পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে—এলাকার কোথাও যদি কোনো মব সৃষ্টি, বেআইনি চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক কেনাবেচা কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, তবে ভয় না পেয়ে সাথে সাথে যেন পুলিশকে অবহিত করা হয়। তথ্যদাতার নাম ও পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রেখে অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‎
‎ডবলমুরিং থানার ওসির এই সময়োপযোগী, সাহসী ও জনমুখী পদক্ষেপের কারণে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একজন দক্ষ ও মাঠপর্যায়ে কঠোর অফিসারের এমন অবস্থান পুরো ডবলমুরিংয়ের নিরাপত্তা চিত্রকে বদলে দিতে শুরু করেছে।
‎
‎