ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রোকেন হার্ট

  • আপডেট সময় : ১০:৪০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • 380

1330
এটিএন বাংলা

প্রচার :ঈদের দিন

বেলা ৩টা ১০ মিনিটে
এবারের ঈদুল আযহায় একুশে টেলিভিশনের ছয় দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ঈদ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে। নাসিম সাহনিকের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ, অপূর্ব, ছবি আরাফাতসহ অনেকে। একুশে টেলিভিশনে ঈদের দিন রাত ১০টায় প্রচার হবে নাটকটি।

একটি বড় কর্পোরেট গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাবিলা, অথচ একটি নির্জন চাইনিজ রেস্টুরেন্টে মদ্যপান করে মাতাল হয়ে পড়ে থাকে সে। রেস্টুরেন্টটি হচ্ছে রোমেলের এক বন্ধুর। নিজের বন্ধুর রেস্টুরেন্টে নাবিলাকে এভাবে দেখে কৌতুহল হয় রোমেলের। সে জানার চেষ্টা করে কেন নাবিলা এ রকম অস্বাভাবিক আচরণ করছে। রোমেল জানতে পারে, নাবিলার হূদয় ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে তারই পছন্দের একটি ছেলে। ছেলেটিকে নাবিলার বাবাও পছন্দ করতেন। কিন্তু ছেলেটি ওদের বেশকিছু টাকা-পয়সা মেরে দিয়ে পালিয়ে যায়। এ রকম পরিস্থিতে নাবিলার বাবা মারা যায়। এই ঘটনার পর থেকে জীবনের আশা হারিয়ে হতাশায় নিমজ্জিত হয় নাবিলা। কষ্ট ও স্মৃতিগুলোকে ভুলে থাকার জন্য মদ্যপান করে সে। এদিকে রোমেলের মা ছেলের বিয়ে দিতে চান সুন্দরী তরুণী সুভার সাথে। পাশাপাশি বন্ধুর রেস্টুরেন্টে আসা মডেল ফারিয়াও অপূর্বকে প্রেমের আহ্বান জানাতে থাকে। এই সকল আকর্ষণকে উপেক্ষা করে রোমেল নাবিলার সাথে সম্পর্কে জড়াতে চায়। একদিন অতিরিক্ত মদ্যপান করে নাবিলা প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তখন বন্ধুর সহযোগিতায় রোমেল নাবিলাকে ওদের বাসায় পৌঁছে দেয়। এভাবে নাবিলার সাথে একটা যোগাযোগের ক্ষেত্র তৈরি হয়।

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ব্রোকেন হার্ট

আপডেট সময় : ১০:৪০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1330
এটিএন বাংলা

প্রচার :ঈদের দিন

বেলা ৩টা ১০ মিনিটে
এবারের ঈদুল আযহায় একুশে টেলিভিশনের ছয় দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ঈদ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে। নাসিম সাহনিকের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ, অপূর্ব, ছবি আরাফাতসহ অনেকে। একুশে টেলিভিশনে ঈদের দিন রাত ১০টায় প্রচার হবে নাটকটি।

একটি বড় কর্পোরেট গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাবিলা, অথচ একটি নির্জন চাইনিজ রেস্টুরেন্টে মদ্যপান করে মাতাল হয়ে পড়ে থাকে সে। রেস্টুরেন্টটি হচ্ছে রোমেলের এক বন্ধুর। নিজের বন্ধুর রেস্টুরেন্টে নাবিলাকে এভাবে দেখে কৌতুহল হয় রোমেলের। সে জানার চেষ্টা করে কেন নাবিলা এ রকম অস্বাভাবিক আচরণ করছে। রোমেল জানতে পারে, নাবিলার হূদয় ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে তারই পছন্দের একটি ছেলে। ছেলেটিকে নাবিলার বাবাও পছন্দ করতেন। কিন্তু ছেলেটি ওদের বেশকিছু টাকা-পয়সা মেরে দিয়ে পালিয়ে যায়। এ রকম পরিস্থিতে নাবিলার বাবা মারা যায়। এই ঘটনার পর থেকে জীবনের আশা হারিয়ে হতাশায় নিমজ্জিত হয় নাবিলা। কষ্ট ও স্মৃতিগুলোকে ভুলে থাকার জন্য মদ্যপান করে সে। এদিকে রোমেলের মা ছেলের বিয়ে দিতে চান সুন্দরী তরুণী সুভার সাথে। পাশাপাশি বন্ধুর রেস্টুরেন্টে আসা মডেল ফারিয়াও অপূর্বকে প্রেমের আহ্বান জানাতে থাকে। এই সকল আকর্ষণকে উপেক্ষা করে রোমেল নাবিলার সাথে সম্পর্কে জড়াতে চায়। একদিন অতিরিক্ত মদ্যপান করে নাবিলা প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তখন বন্ধুর সহযোগিতায় রোমেল নাবিলাকে ওদের বাসায় পৌঁছে দেয়। এভাবে নাবিলার সাথে একটা যোগাযোগের ক্ষেত্র তৈরি হয়।