ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক সপ্তাহ ধরে নৌকায় রয়েছে পরিবারটি

  • আপডেট সময় : ১০:০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • 323

1041
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির ক্রমাগতভাবে অবনতি হলেও, বন্যা-আক্রান্ত এলাকাগুলোতে এখনো পর্যাপ্ত ত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে। গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে জলমগ্ন হয়ে পড়া বিস্তীর্ণ জনপদে দেখা দিয়েছে খাদ্য ও সুপেয় পানির সঙ্কট। বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার চরাঞ্চলীয় একটি গ্রাম ‘চরবাগুয়ায়’ বন্যায় আক্রান্ত একটি পরিবার গত এক সপ্তাহেরও বেশী সময় ধরে নৌকায় অবস্থান করছেন। নৌকার ভেতর নিদারুণ কষ্টে দিন কাটছে নয় সদস্যের এই পরিবারটির। এই পরিবারের প্রধান দেলওয়ার হোসেন মোল্লা বিবিসিকে বলছিলেন, নৌকার মধ্যেই তাদের রান্না আর খাওয়াদাওয়া, থাকা ঘুমানো, সব করতে হচ্ছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে সরকারিভাবে পাঁচ কেজি চাল পেয়েছেন। এরপরে আর কোন সাহায্য পাননি। তবে খাবার পানি পেতে তাদের সবচেয়ে কষ্ট হচ্ছে। অনেক দূর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
তার স্ত্রী মোসাম্মত ফজিরন খাতুন বিবিসির আহরার হোসেনকে বলছিলেন, ছোট নৌকায় এতগুলো মানুষের বসবাস, নড়াচড়া করাও কষ্ট। এরমধ্যেই তাদের রান্না, বাথরুম করতে হয়। চারদিকে পানি থাকায় নৌকা থেকে নামার উপায় নেই। টয়লেটের কাজও তাই নৌকাতে বসেই তাদের করতে হচ্ছে। বাড়িতে ফসলের কিছু বীজ ছিল, বন্যার পানিতে সব তাদের নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যার পানি নেমে গেলে আবার তাদের গোড়া থেকে সব শুরু করতে হবে।

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

এক সপ্তাহ ধরে নৌকায় রয়েছে পরিবারটি

আপডেট সময় : ১০:০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1041
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির ক্রমাগতভাবে অবনতি হলেও, বন্যা-আক্রান্ত এলাকাগুলোতে এখনো পর্যাপ্ত ত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে। গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে জলমগ্ন হয়ে পড়া বিস্তীর্ণ জনপদে দেখা দিয়েছে খাদ্য ও সুপেয় পানির সঙ্কট। বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার চরাঞ্চলীয় একটি গ্রাম ‘চরবাগুয়ায়’ বন্যায় আক্রান্ত একটি পরিবার গত এক সপ্তাহেরও বেশী সময় ধরে নৌকায় অবস্থান করছেন। নৌকার ভেতর নিদারুণ কষ্টে দিন কাটছে নয় সদস্যের এই পরিবারটির। এই পরিবারের প্রধান দেলওয়ার হোসেন মোল্লা বিবিসিকে বলছিলেন, নৌকার মধ্যেই তাদের রান্না আর খাওয়াদাওয়া, থাকা ঘুমানো, সব করতে হচ্ছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে সরকারিভাবে পাঁচ কেজি চাল পেয়েছেন। এরপরে আর কোন সাহায্য পাননি। তবে খাবার পানি পেতে তাদের সবচেয়ে কষ্ট হচ্ছে। অনেক দূর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
তার স্ত্রী মোসাম্মত ফজিরন খাতুন বিবিসির আহরার হোসেনকে বলছিলেন, ছোট নৌকায় এতগুলো মানুষের বসবাস, নড়াচড়া করাও কষ্ট। এরমধ্যেই তাদের রান্না, বাথরুম করতে হয়। চারদিকে পানি থাকায় নৌকা থেকে নামার উপায় নেই। টয়লেটের কাজও তাই নৌকাতে বসেই তাদের করতে হচ্ছে। বাড়িতে ফসলের কিছু বীজ ছিল, বন্যার পানিতে সব তাদের নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যার পানি নেমে গেলে আবার তাদের গোড়া থেকে সব শুরু করতে হবে।