ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘এমডিজির অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে বাংলাদেশ’

  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • 349


মিলিনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোল (এমডিজি)-র অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ অর্জন করেছে এবং ২০৩০ সাল পর্যন্ত নেয়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বাংলাদেশসহ ই-নাইন ভুক্ত দেশগুলোর পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হোটেল রেডিসন ই-নাইন ফোরামের একাদশতম বৈঠকের উদ্বোধন ঘোষণা করার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য, ‘২০৩০ এজেন্ডা’ বাস্তবায়নের জন্য এই ই-নাইন বড় ভূমিকা রাখবে। আর সে কারণেই ৯টি দেশের এই লক্ষ্য অর্জনে করণীয় সম্পর্কে পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
এ সময় তিনি বলেন, এমডিজি’র অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। জেন্ডার সমতা ও প্রাইমারি স্কুলে নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জিত হয়েছে। উপবৃত্তি কর্মসূচি সহ আরো অনেক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে যেন শিক্ষাক্ষেত্রে সার্বজনীনতা নিশ্চিত করা যায়।
তিনি দেশের শিখন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলেন, বর্তমানে ক্লাসে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়াও প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়েছে। অন্য ভাষাভাষী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর জন্য তাদের মাতৃ ভাষায় বই ছাপানো হয়েছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাঠ্য-পুস্তক বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিশ্বকে অস্থির করে তুলছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ থেকে বিশ্বকে রক্ষার জন্য দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা করা উচিত। আমরা পাঠ্য-পুস্তক ও শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে শিক্ষা খাতে আমরা সবচাইতে বেশি বরাদ্দ দিয়ে থাকি।

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

‘এমডিজির অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে বাংলাদেশ’

আপডেট সময় : ০৪:৩২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


মিলিনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোল (এমডিজি)-র অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ অর্জন করেছে এবং ২০৩০ সাল পর্যন্ত নেয়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বাংলাদেশসহ ই-নাইন ভুক্ত দেশগুলোর পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হোটেল রেডিসন ই-নাইন ফোরামের একাদশতম বৈঠকের উদ্বোধন ঘোষণা করার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য, ‘২০৩০ এজেন্ডা’ বাস্তবায়নের জন্য এই ই-নাইন বড় ভূমিকা রাখবে। আর সে কারণেই ৯টি দেশের এই লক্ষ্য অর্জনে করণীয় সম্পর্কে পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
এ সময় তিনি বলেন, এমডিজি’র অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। জেন্ডার সমতা ও প্রাইমারি স্কুলে নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জিত হয়েছে। উপবৃত্তি কর্মসূচি সহ আরো অনেক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে যেন শিক্ষাক্ষেত্রে সার্বজনীনতা নিশ্চিত করা যায়।
তিনি দেশের শিখন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলেন, বর্তমানে ক্লাসে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়াও প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়েছে। অন্য ভাষাভাষী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর জন্য তাদের মাতৃ ভাষায় বই ছাপানো হয়েছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাঠ্য-পুস্তক বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিশ্বকে অস্থির করে তুলছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ থেকে বিশ্বকে রক্ষার জন্য দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা করা উচিত। আমরা পাঠ্য-পুস্তক ও শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে শিক্ষা খাতে আমরা সবচাইতে বেশি বরাদ্দ দিয়ে থাকি।