ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলেজছাত্রী হিমু হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • 346

1138
শেরপুরে কলেজ ছাত্রী নূরানী আক্তার হিমুর (২৫) হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে শেরপুর সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ চত্বরে ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৫ শতাধিক সহপাঠী শিক্ষার্থী মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শেরপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ.কে এম রিয়াজুল হাসান, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সারওয়ার জাহান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. আব্দুর রউফ। ওই সময় বক্তারা হিমুর খুনী ঘাতক স্বামীর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন। পরে একই দাবিতে নিহত কলেজ ছাত্রীর সহপাঠীরা জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে।
উল্লেখ্য, ৮ই সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজার এলাকায় মাইক্রোবাসে বহন করার সময় পুলিশ গৃহবধূ নুরানী আক্তার হিমুর লাশ উদ্ধার করে। তখন তার স্বামী শাহেদকে পুলিশ মাইক্রোবাস থেকে আটক করে। ওই ঘটনায় নিহত হিমুর মা বাদী হয়ে স্বামী শাহেদ, শ্বশুর সেকান্দর আলী, ননদ শামীমা আক্তার ও আবদুল জলিলকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে তার স্বামী শাহেদ দাবি করেন, হিমু বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ রাতেই চতুর্থ আসামি আবদুল জলিলকে আটক করে।

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

কলেজছাত্রী হিমু হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1138
শেরপুরে কলেজ ছাত্রী নূরানী আক্তার হিমুর (২৫) হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে শেরপুর সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ চত্বরে ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৫ শতাধিক সহপাঠী শিক্ষার্থী মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শেরপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ.কে এম রিয়াজুল হাসান, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সারওয়ার জাহান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. আব্দুর রউফ। ওই সময় বক্তারা হিমুর খুনী ঘাতক স্বামীর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন। পরে একই দাবিতে নিহত কলেজ ছাত্রীর সহপাঠীরা জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে।
উল্লেখ্য, ৮ই সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজার এলাকায় মাইক্রোবাসে বহন করার সময় পুলিশ গৃহবধূ নুরানী আক্তার হিমুর লাশ উদ্ধার করে। তখন তার স্বামী শাহেদকে পুলিশ মাইক্রোবাস থেকে আটক করে। ওই ঘটনায় নিহত হিমুর মা বাদী হয়ে স্বামী শাহেদ, শ্বশুর সেকান্দর আলী, ননদ শামীমা আক্তার ও আবদুল জলিলকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে তার স্বামী শাহেদ দাবি করেন, হিমু বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ রাতেই চতুর্থ আসামি আবদুল জলিলকে আটক করে।