ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাশোগির ছেলেকে সৌদি বাদশাহ-যুবরাজের সান্ত্বনা!

  • আপডেট সময় : ০১:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮
  • 379

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে হত্যাকাণ্ডের শিকার সৌদি রাজতন্ত্র বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

রিয়াদে ইমামা প্রাসাদে মঙ্গলবার খাশোগির ছেলে সালাহ ও তার ভাই সাহেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সৌদি বাদশাহ সালমান এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।এ সময় বাদশাহ ও যুবরাজ তাদের সান্ত্বনা দেন।এর আগে জামাল খাশোগির ছেলেকে ফোন করে কথা বলেছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।এ সময় নিহত খাশোগির ছেলে সালাহকে সান্ত্বনা দিয়েছেন তিনি।

সৌদি যুবরাজ সালমানের কট্টর সমালোচক ছিলেন জামাল খাশোগি। যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকা প্রথিতযশা ওই সাংবাদিক তার তুরস্কের বান্ধবীকে বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে গত ২ অক্টোবর ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে যান। কিন্তু সেখান থেকে তিনি আর ফিরে আসেননি।

শুরু থেকে তুরস্ক দাবি করেছিল, খাশোগিকে কনস্যুলেট ভবনের ভেতর সৌদির চররা হত্যা করে লাশ টুকরো টুকরো করে ফেলে দিয়েছে কোথাও।কিন্তু সৌদি সরকার তা অস্বীকার করে আসছিল।কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপে অবশেষে ১৭ দিন পর গত ১৯ অক্টোবর সৌদি সরকার এক বিবৃতিতে কনস্যুলেট ভবনের ভেতরই হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে।এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে আটক করেছে সৌদি আরব।

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

খাশোগির ছেলেকে সৌদি বাদশাহ-যুবরাজের সান্ত্বনা!

আপডেট সময় : ০১:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে হত্যাকাণ্ডের শিকার সৌদি রাজতন্ত্র বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

রিয়াদে ইমামা প্রাসাদে মঙ্গলবার খাশোগির ছেলে সালাহ ও তার ভাই সাহেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সৌদি বাদশাহ সালমান এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।এ সময় বাদশাহ ও যুবরাজ তাদের সান্ত্বনা দেন।এর আগে জামাল খাশোগির ছেলেকে ফোন করে কথা বলেছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।এ সময় নিহত খাশোগির ছেলে সালাহকে সান্ত্বনা দিয়েছেন তিনি।

সৌদি যুবরাজ সালমানের কট্টর সমালোচক ছিলেন জামাল খাশোগি। যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকা প্রথিতযশা ওই সাংবাদিক তার তুরস্কের বান্ধবীকে বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে গত ২ অক্টোবর ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে যান। কিন্তু সেখান থেকে তিনি আর ফিরে আসেননি।

শুরু থেকে তুরস্ক দাবি করেছিল, খাশোগিকে কনস্যুলেট ভবনের ভেতর সৌদির চররা হত্যা করে লাশ টুকরো টুকরো করে ফেলে দিয়েছে কোথাও।কিন্তু সৌদি সরকার তা অস্বীকার করে আসছিল।কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপে অবশেষে ১৭ দিন পর গত ১৯ অক্টোবর সৌদি সরকার এক বিবৃতিতে কনস্যুলেট ভবনের ভেতরই হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে।এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে আটক করেছে সৌদি আরব।