ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিবারে শোকের মাতম, পুলিশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • 355

1211
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় পুলিশের গুলিতে নিহত তিন জনের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। ময়নাতদন্ত শেষে এরইমধ্যে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে পরিবারের কাছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, গুলিতেই মারা গেছেন তারা। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের স্বান্তনা দিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন মানুষ। কিন্তু কোন স্বান্তনাতেই তাদের কান্না থামছে না। নিহত শামীমের মা আমেন খাতুন বলেন, জুমার নামাজ পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন শামীম। এরপর আর ফিরে আসেননি। তিনি বলেন, আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।

ওদিকে, কালিহাতিতে ঘটনার সময় দায়িত্ব পালন করা সব পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশের ঢাকা রেঞ্জ। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এস এম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান। নুরুজ্জামান আজ শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার জিল্লার রহমান বলেন, গুলি করার যৌক্তিকতা ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনা তদন্তে ও সেখানে দায়িত্ব পালনকারীদের দায়-দায়িত্ব নিরূপণের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। পুলিশের ভারপ্রাপ্ত আইজিপি মো. মোখলেছুর রহমানের নির্দেশে অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আলমগীর আলমকে সভাপতি, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আক্তারুজ্জামান এবং টাঙ্গাইল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসলাম খানকে সদস্য করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মা ও ছেলেকে নির্যাতনের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিলে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ৫০ জন।

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

পরিবারে শোকের মাতম, পুলিশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1211
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় পুলিশের গুলিতে নিহত তিন জনের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। ময়নাতদন্ত শেষে এরইমধ্যে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে পরিবারের কাছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, গুলিতেই মারা গেছেন তারা। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের স্বান্তনা দিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন মানুষ। কিন্তু কোন স্বান্তনাতেই তাদের কান্না থামছে না। নিহত শামীমের মা আমেন খাতুন বলেন, জুমার নামাজ পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন শামীম। এরপর আর ফিরে আসেননি। তিনি বলেন, আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।

ওদিকে, কালিহাতিতে ঘটনার সময় দায়িত্ব পালন করা সব পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশের ঢাকা রেঞ্জ। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এস এম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান। নুরুজ্জামান আজ শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার জিল্লার রহমান বলেন, গুলি করার যৌক্তিকতা ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনা তদন্তে ও সেখানে দায়িত্ব পালনকারীদের দায়-দায়িত্ব নিরূপণের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। পুলিশের ভারপ্রাপ্ত আইজিপি মো. মোখলেছুর রহমানের নির্দেশে অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আলমগীর আলমকে সভাপতি, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আক্তারুজ্জামান এবং টাঙ্গাইল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসলাম খানকে সদস্য করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মা ও ছেলেকে নির্যাতনের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিলে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ৫০ জন।