ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় মহসিন আলী

  • আপডেট সময় : ০৮:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • 444

1159বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী। বুুধবার বিকেল ৫টা ৩ মিনিটে মৌলভীবাজার শহরের শাহ মোস্তফা মাজারে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। এর আগে বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তারও আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় মহসিন আলীর মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টারটি ঢাকা থেকে মৌলভীবাজার স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। সেখানে অপেক্ষায় থাকা পরিবারের লোকজন মরদেহ গ্রহণ করেন। এরপর মরদেহ মহসিন আলীর নিজ বাড়িতে নেয়া হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আসম ফিরোজ, হুইপ শাহাব উদ্দিন আহম্মদ, সাবেক চিফ হুইপ উপাধক্ষ আবদুস শহিদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিনসহ মৌলভীবাজার প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এদিকে, দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মন্ত্রীর মরদেহ মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে রাখা হয়। সকালে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মহসিন আলীর মরদেহ রাজধানীর মিন্টো রোডের বাসা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সকাল সোয়া ৮টা থেকে সোয়া ৯টা পর্যন্ত তার কফিন শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মহসিন আলীর মরদেহ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছায়। সেখানে প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ছাড়াও মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর সেখানে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গত সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মহসিন আলীর (৬৭) মৃত্যু হয়।

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় মহসিন আলী

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1159বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী। বুুধবার বিকেল ৫টা ৩ মিনিটে মৌলভীবাজার শহরের শাহ মোস্তফা মাজারে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। এর আগে বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তারও আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় মহসিন আলীর মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টারটি ঢাকা থেকে মৌলভীবাজার স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। সেখানে অপেক্ষায় থাকা পরিবারের লোকজন মরদেহ গ্রহণ করেন। এরপর মরদেহ মহসিন আলীর নিজ বাড়িতে নেয়া হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আসম ফিরোজ, হুইপ শাহাব উদ্দিন আহম্মদ, সাবেক চিফ হুইপ উপাধক্ষ আবদুস শহিদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিনসহ মৌলভীবাজার প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এদিকে, দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মন্ত্রীর মরদেহ মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে রাখা হয়। সকালে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মহসিন আলীর মরদেহ রাজধানীর মিন্টো রোডের বাসা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সকাল সোয়া ৮টা থেকে সোয়া ৯টা পর্যন্ত তার কফিন শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মহসিন আলীর মরদেহ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছায়। সেখানে প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ছাড়াও মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর সেখানে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গত সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মহসিন আলীর (৬৭) মৃত্যু হয়।