ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে ফের চলন্ত বাসে ধর্ষণ

  • আপডেট সময় : ০৮:২০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • 332

209
ভারতে আবারও চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো। এ বারে ঘটনাস্থল ভোপাল। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়ে়ছে, বুধবার রাতে বাড়ি ফেরার জন্য বাসে চেপেছিলেন ওই মহিলা। চলন্ত বাসের মধ্যেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, ভোপাল দক্ষিণের পুলিশ সুপার অংশুমান সিংহ জানান, বুধবার রাত ১১টা নাগাদ চোলা অঞ্চল থেকে বাড়ি ফেরার জন্য বাসে ওঠেন ওই মহিলা। অভিযোগ, পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তি বাসের মধ্যেই মহিলাকে ধর্ষণ করে। ঘটনায় আরও দু’জনের নাম ‌উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে একজন ওই বাসের চালক, নাম সালমান। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নির্যাতিতা মহিলার বাস থেকে নামার কথা ছিল পুল বোগদা এলাকায়। কিন্তু চালক বাসটিকে সেখানে না থামিয়ে ময়দা মিল এলাকায় নিয়ে যায়। বাসটিকে না থামিয়ে সেখানেই ঘুরতে থাকে চালক। চলন্ত বাসের মধ্যেই চলে ধর্ষণ। এরপর মহিলাকে নামিয়ে দিয়ে সেখান থেকে চম্পট দেয় দুস্কৃতিরা। পরে কাছের একটি থানায় গিয়ে গোটা ঘটনার কথা জানান নির্যাতিতা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পণ্ডিত এবং সালমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খোঁজ চলছে তৃতীয় অভিযুক্তের।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে উত্তাল হয় গোটা ভারত। ঘটনায় পাঁচজন দোষী সাব্যস্ত হয়।

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ভারতে ফের চলন্ত বাসে ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৮:২০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫

209
ভারতে আবারও চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো। এ বারে ঘটনাস্থল ভোপাল। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়ে়ছে, বুধবার রাতে বাড়ি ফেরার জন্য বাসে চেপেছিলেন ওই মহিলা। চলন্ত বাসের মধ্যেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, ভোপাল দক্ষিণের পুলিশ সুপার অংশুমান সিংহ জানান, বুধবার রাত ১১টা নাগাদ চোলা অঞ্চল থেকে বাড়ি ফেরার জন্য বাসে ওঠেন ওই মহিলা। অভিযোগ, পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তি বাসের মধ্যেই মহিলাকে ধর্ষণ করে। ঘটনায় আরও দু’জনের নাম ‌উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে একজন ওই বাসের চালক, নাম সালমান। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নির্যাতিতা মহিলার বাস থেকে নামার কথা ছিল পুল বোগদা এলাকায়। কিন্তু চালক বাসটিকে সেখানে না থামিয়ে ময়দা মিল এলাকায় নিয়ে যায়। বাসটিকে না থামিয়ে সেখানেই ঘুরতে থাকে চালক। চলন্ত বাসের মধ্যেই চলে ধর্ষণ। এরপর মহিলাকে নামিয়ে দিয়ে সেখান থেকে চম্পট দেয় দুস্কৃতিরা। পরে কাছের একটি থানায় গিয়ে গোটা ঘটনার কথা জানান নির্যাতিতা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পণ্ডিত এবং সালমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খোঁজ চলছে তৃতীয় অভিযুক্তের।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে উত্তাল হয় গোটা ভারত। ঘটনায় পাঁচজন দোষী সাব্যস্ত হয়।