ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহাকাশে বাঁধাকপির চাষ

  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • 378

মহাকাশে বাঁধাকপির চাষ
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক,

এই প্রথম মহাকাশচারীরা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে চাইনিজ বাঁধাকপির চাষ করতে সক্ষম হলেন। তারা দীর্ঘ একমাস সময় ব্যয় করে এই সবজি চাষ করতে পেরেছেন।

মার্কিন মহাকাশে গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, মহাকাশ স্টেশনের কর্মরত নভোচারীরা তাদের উৎপাদিত চাইনিজ বাঁধাকপি খেয়েছে।

বাঁধাকপি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন মহাকাশচারী পিগি ‍হুইটসন। অন্যরা গবেষণা কাজে সহযোগিতা করেছেন।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঁচ ধরনের সবজি চাষ হলো। এর মধ্যে প্রথম ছিল চাইনিজ বাঁধাকপি। এসব সবজি চাষের ব্যাপারে মহাকাশচারীরা যেদিকটা খেয়াল রাখেন সেটি হলো এর পুষ্টিমান।

২০১৫ সালে মহাকাশে লেটুস পাতা উৎপাদন করেন মহাকাশচীরারা। এসব লেটুস তারা খেয়েও দেখেন।

নাসার মহাকাশে সবজি ফলানোর প্রচেষ্টার আওতায় চাষ করা হয়েছিল এ লেটুস। কয়েক ধাপে এ সবজি ফলানো হয়। লেটুস পাতা চাষ শুরুর ৩৩ দিন পর তা খাওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে ছোট আকারে সবজি চাষ হচ্ছে স্পেসশিপের মধ্যে। এটি একটি ছোট আকারের গ্রিন হাউজ। এটার নাম লাডা।

এই গ্রিন হাউজটিতে ২০০২ সাল থেকে চাষবাস করার জন্য গবেষণা করা হচ্ছে। মাইক্রোগ্যাভিটিতে চাষ করে ইতোমধ্যে সাফল্য পেয়েছেন মহাকাশচারীরা।
মহাকাশচারীরা স্পেসস্টেশনে সবজি চাষের জন্য নতুন ধরণের একটি পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। এটাকে বলা হচ্ছে ‘ভেজ্জি’। গ্রিন হাউজে চাষের জন্য বিশেষ আলো ব্যবহার করা হয়েছে। এজন্য লাল এবং নীল এলইডি বাতি ব্যবহার করা হয়েছে।

যদিও তারা ২০১৪ সালেই মহাকাশে সবজি চাষ করতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য পৃথিবীতে পাঠানো হয়। এসব সবজি পরীক্ষাগারে গবেষণা শেষে নাসা জানিয়েছে এগুলো খাওয়ার উপযোগী।

নাসা জানিয়েছে, পৃথিবী থেকে পাঠানো প্যাকেটজাত খাবার দুই থেকে তিন বছর ভালো থাকে। এদিকে নভোচারীদের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এসব সবজি বেশ কাজে দেবে বলে নাসা ধারণা করছে। বিশেষ করে টাটকা সবজি এবং ফল তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি যোগাবে।

নাসিমন ভবনে যুবদলের শোডাউন: ‘বিলুপ্ত’ কমিটি ফিরতেই চট্টগ্রামে নতুন প্রাণ

মহাকাশে বাঁধাকপির চাষ

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

মহাকাশে বাঁধাকপির চাষ
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক,

এই প্রথম মহাকাশচারীরা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে চাইনিজ বাঁধাকপির চাষ করতে সক্ষম হলেন। তারা দীর্ঘ একমাস সময় ব্যয় করে এই সবজি চাষ করতে পেরেছেন।

মার্কিন মহাকাশে গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, মহাকাশ স্টেশনের কর্মরত নভোচারীরা তাদের উৎপাদিত চাইনিজ বাঁধাকপি খেয়েছে।

বাঁধাকপি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন মহাকাশচারী পিগি ‍হুইটসন। অন্যরা গবেষণা কাজে সহযোগিতা করেছেন।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঁচ ধরনের সবজি চাষ হলো। এর মধ্যে প্রথম ছিল চাইনিজ বাঁধাকপি। এসব সবজি চাষের ব্যাপারে মহাকাশচারীরা যেদিকটা খেয়াল রাখেন সেটি হলো এর পুষ্টিমান।

২০১৫ সালে মহাকাশে লেটুস পাতা উৎপাদন করেন মহাকাশচীরারা। এসব লেটুস তারা খেয়েও দেখেন।

নাসার মহাকাশে সবজি ফলানোর প্রচেষ্টার আওতায় চাষ করা হয়েছিল এ লেটুস। কয়েক ধাপে এ সবজি ফলানো হয়। লেটুস পাতা চাষ শুরুর ৩৩ দিন পর তা খাওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে ছোট আকারে সবজি চাষ হচ্ছে স্পেসশিপের মধ্যে। এটি একটি ছোট আকারের গ্রিন হাউজ। এটার নাম লাডা।

এই গ্রিন হাউজটিতে ২০০২ সাল থেকে চাষবাস করার জন্য গবেষণা করা হচ্ছে। মাইক্রোগ্যাভিটিতে চাষ করে ইতোমধ্যে সাফল্য পেয়েছেন মহাকাশচারীরা।
মহাকাশচারীরা স্পেসস্টেশনে সবজি চাষের জন্য নতুন ধরণের একটি পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। এটাকে বলা হচ্ছে ‘ভেজ্জি’। গ্রিন হাউজে চাষের জন্য বিশেষ আলো ব্যবহার করা হয়েছে। এজন্য লাল এবং নীল এলইডি বাতি ব্যবহার করা হয়েছে।

যদিও তারা ২০১৪ সালেই মহাকাশে সবজি চাষ করতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য পৃথিবীতে পাঠানো হয়। এসব সবজি পরীক্ষাগারে গবেষণা শেষে নাসা জানিয়েছে এগুলো খাওয়ার উপযোগী।

নাসা জানিয়েছে, পৃথিবী থেকে পাঠানো প্যাকেটজাত খাবার দুই থেকে তিন বছর ভালো থাকে। এদিকে নভোচারীদের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এসব সবজি বেশ কাজে দেবে বলে নাসা ধারণা করছে। বিশেষ করে টাটকা সবজি এবং ফল তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি যোগাবে।