ক্লাস না হলেও দাপ্তরিক সেবা পাবেন শিক্ষার্থীরা
নিউজ ডেস্ক
আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার দেশের সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক শাখাগুলো সম্পূর্ণ সচল থাকবে। তবে উৎসবের ছুটির অংশ হিসেবে ওইদিন শ্রেণিকক্ষে কোনো ধরনের প্রথাগত পাঠদান বা ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে না। সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক প্রশাসনিক সমন্বয় সিদ্ধান্তের আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এই নির্দেশনা জারি করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বার্ষিক ছুটির দিনপঞ্জি অনুযায়ী ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবারের পর থেকেই মূলত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি কার্যকর হতে যাচ্ছে। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপনের কারণে ১৭ অক্টোবর শনিবার সাধারণ কর্মদিবস হিসেবে গণ্য হচ্ছে। ফলে, ছুটির আবহ থাকলেও ওই নির্দিষ্ট দিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কার্যালয় এবং হিসাব ও সাধারণ শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একদিকে উৎসবের আমেজ, অন্যদিকে প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতা—এই দুইয়ের মাঝে সমন্বয় সাধনের ফলে লাভবান হবেন শিক্ষার্থীরাই। সাধারণ সময়ে ছুটির দিনে জরুরি প্রাতিষ্ঠানিক কাজ আটকে থাকলেও এবার এই শনিবারে শিক্ষার্থীরা কোনো বাধা ছাড়াই বোর্ডের ফরম পূরণ, গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ট্রান্সক্রিপ্ট, মূল সনদ কিংবা প্রশংসাপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। বিশেষ করে যারা বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই দিনটি কাগজপত্রের কাজ শেষ করার একটি বাড়তি সুযোগ এনে দিচ্ছে।
প্রশাসনিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজার মূল সরকারি ছুটি (২০ থেকে ২২ অক্টোবর) মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর সঙ্গে পরবর্তী শুক্র ও শনিবার মিলে টানা ৫ দিনের একটি দীর্ঘ ছুটির ফাঁদ তৈরি হচ্ছে। এই দীর্ঘ ছুটির কারণে যেন সামগ্রিক দাপ্তরিক কাজে বড় কোনো স্থবিরতা না আসে, সেজন্যই মূলত আগের সপ্তাহের শনিবারকে (১৭ অক্টোবর) অফিস ও ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য বিশেষভাবে খোলা রাখার এই ভারসাম্যমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে মাউশি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে এই বার্তাটি বাস্তবায়নের জন্য দাপ্তরিক নির্দেশনা পাঠানো সম্পন্ন হয়েছে।












