ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংকটে আলোর দিশারী মানবিক সাংসদ সাঈদ আল নোমান; সাময়িক ত্রাণ নয়, স্বাবলম্বী করার অনন্য নজির

  • আপডেট সময় : ০১:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • 11

পাহাড়ধসে নিভেছিল আশার প্রদীপ, সেলাই মেশিনে নতুন জীবনের স্বপ্ন বুনছে সেই পরিবার!
‎
‎বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:
‎
‎রাতের অন্ধকারে পাহাড়ের মাটি ধসে যখন ঘরটা ভেঙে পড়েছিল, তখন একই সাথে ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের সব স্বপ্ন। গত চার মাস ধরে রহমান নগরের ৮ নম্বর শোলকের এই পরিবারটির দিন কাটছিল চরম অনিশ্চয়তা, অনাহার আর অন্ধকারের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। চারপাশের চেনা পৃথিবী যখন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল, ঠিক তখনই দেবদূতের মতো সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। শুধু কিছুদিনের খাদ্যসামগ্রী দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেননি, বরং পরিবারটিকে চিরতরে স্বাবলম্বী করতে তিনি উপহার দিলেন একটি সেলাই মেশিন—যা এখন ওই পরিবারের ঘুরে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
‎
‎চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় এই দৈনিকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে একবিংশ শতাব্দীর এক অনন্য মানবিক উপাখ্যান, যা প্রমাণ করে—জনপ্রতিনিধি যদি সংবেদনশীল হন, তবে বদলে যেতে পারে যেকোনো প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য।
‎
‎
‎চার মাস আগের সেই অভিশপ্ত দিনের কথা মনে পড়লে এখনো শিউরে ওঠেন পরিবারের সদস্যরা। হঠাৎ নেমে আসা পাহাড়ধসে মুহূর্তের মধ্যে ব্যাহত হয় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নেমে আসে তীব্র আর্থিক সংকট।
‎
‎ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের গৃহকর্ত্রী বলেন, “পাহাড়ধসের পর আমাদের বেঁচে থাকাটাই একটা যুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মানুষের কাছে হাত পাতার মতো পরিস্থিতিও ছিল না। চারটা মাস আমরা কীভাবে কাটিয়েছি, তা শুধু উপরওয়ালাই জানেন। কিন্তু এমপি সাহেব আমাদের যে উপহার দিয়েছেন, তা আমাদের নতুন করে বাঁচার শক্তি দিয়েছে।”
‎
‎
‎রহমান নগর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাংসদ সাঈদ আল নোমানের এই উদ্যোগ পুরো এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষের মতে, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দুর্যোগের পর সাধারণত কিছু চাল-ডাল বা নগদ টাকা বিতরণ করতেই দেখা যায় নেতাদের। কিন্তু সাঈদ আল নোমান হাঁটলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে।
‎
‎এই মানবিক উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে এমপি সাঈদ আল নোমান বলেন, “প্রকৃত মানবিকতা শুধু বিপদের সময় পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাময়িক সাহায্য মানুষকে আরও বেশি পরনির্ভরশীল করে তোলে। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেওয়া। এই সেলাই মেশিনটি কেবল একটি যন্ত্র নয়; এটি একটি পরিবারের ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, আত্মনির্ভরশীল হওয়ার প্রত্যাশা।”
‎
‎
‎এমপির এই দূরদর্শী ও মানবিক পদক্ষেপের পর এলাকায় বইছে প্রশংসার জোয়ার। স্থানীয় বাসিন্দা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, মানুষের দুঃখে এভাবে পাশে থাকা এবং একটি অসহায় পরিবারকে স্থায়ীভাবে স্বাবলম্বী হতে সহযোগিতা করার এই মানসিকতাই পারে একটি সত্যিকারের মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে।
‎
‎সেলাই মেশিনের হাতল ঘুরিয়ে পরিবারটি এখন বুনছে নতুন দিনের স্বপ্ন। তাদের চোখে এখন আর জল নেই, আছে আত্মবিশ্বাসের ঝিলিক। দুর্যোগের অন্ধকার কাটিয়ে তারা এখন আলোর পথযাত্রী, আর এই রূপান্তরের পেছনে রূপকার হিসেবে জড়িয়ে রইল সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের নাম। ‘মানুষের পাশে, মানবতার পথে’—স্লোগানটি যেন কেবল দেয়াল লিখন নয়, বাস্তবে রূপ নিল চট্টগ্রামের মাটিতে।
‎
‎

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

সংকটে আলোর দিশারী মানবিক সাংসদ সাঈদ আল নোমান; সাময়িক ত্রাণ নয়, স্বাবলম্বী করার অনন্য নজির

আপডেট সময় : ০১:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

পাহাড়ধসে নিভেছিল আশার প্রদীপ, সেলাই মেশিনে নতুন জীবনের স্বপ্ন বুনছে সেই পরিবার!
‎
‎বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:
‎
‎রাতের অন্ধকারে পাহাড়ের মাটি ধসে যখন ঘরটা ভেঙে পড়েছিল, তখন একই সাথে ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের সব স্বপ্ন। গত চার মাস ধরে রহমান নগরের ৮ নম্বর শোলকের এই পরিবারটির দিন কাটছিল চরম অনিশ্চয়তা, অনাহার আর অন্ধকারের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। চারপাশের চেনা পৃথিবী যখন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল, ঠিক তখনই দেবদূতের মতো সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। শুধু কিছুদিনের খাদ্যসামগ্রী দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেননি, বরং পরিবারটিকে চিরতরে স্বাবলম্বী করতে তিনি উপহার দিলেন একটি সেলাই মেশিন—যা এখন ওই পরিবারের ঘুরে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
‎
‎চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় এই দৈনিকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে একবিংশ শতাব্দীর এক অনন্য মানবিক উপাখ্যান, যা প্রমাণ করে—জনপ্রতিনিধি যদি সংবেদনশীল হন, তবে বদলে যেতে পারে যেকোনো প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য।
‎
‎
‎চার মাস আগের সেই অভিশপ্ত দিনের কথা মনে পড়লে এখনো শিউরে ওঠেন পরিবারের সদস্যরা। হঠাৎ নেমে আসা পাহাড়ধসে মুহূর্তের মধ্যে ব্যাহত হয় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নেমে আসে তীব্র আর্থিক সংকট।
‎
‎ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের গৃহকর্ত্রী বলেন, “পাহাড়ধসের পর আমাদের বেঁচে থাকাটাই একটা যুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মানুষের কাছে হাত পাতার মতো পরিস্থিতিও ছিল না। চারটা মাস আমরা কীভাবে কাটিয়েছি, তা শুধু উপরওয়ালাই জানেন। কিন্তু এমপি সাহেব আমাদের যে উপহার দিয়েছেন, তা আমাদের নতুন করে বাঁচার শক্তি দিয়েছে।”
‎
‎
‎রহমান নগর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাংসদ সাঈদ আল নোমানের এই উদ্যোগ পুরো এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষের মতে, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দুর্যোগের পর সাধারণত কিছু চাল-ডাল বা নগদ টাকা বিতরণ করতেই দেখা যায় নেতাদের। কিন্তু সাঈদ আল নোমান হাঁটলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে।
‎
‎এই মানবিক উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে এমপি সাঈদ আল নোমান বলেন, “প্রকৃত মানবিকতা শুধু বিপদের সময় পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাময়িক সাহায্য মানুষকে আরও বেশি পরনির্ভরশীল করে তোলে। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেওয়া। এই সেলাই মেশিনটি কেবল একটি যন্ত্র নয়; এটি একটি পরিবারের ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, আত্মনির্ভরশীল হওয়ার প্রত্যাশা।”
‎
‎
‎এমপির এই দূরদর্শী ও মানবিক পদক্ষেপের পর এলাকায় বইছে প্রশংসার জোয়ার। স্থানীয় বাসিন্দা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, মানুষের দুঃখে এভাবে পাশে থাকা এবং একটি অসহায় পরিবারকে স্থায়ীভাবে স্বাবলম্বী হতে সহযোগিতা করার এই মানসিকতাই পারে একটি সত্যিকারের মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে।
‎
‎সেলাই মেশিনের হাতল ঘুরিয়ে পরিবারটি এখন বুনছে নতুন দিনের স্বপ্ন। তাদের চোখে এখন আর জল নেই, আছে আত্মবিশ্বাসের ঝিলিক। দুর্যোগের অন্ধকার কাটিয়ে তারা এখন আলোর পথযাত্রী, আর এই রূপান্তরের পেছনে রূপকার হিসেবে জড়িয়ে রইল সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের নাম। ‘মানুষের পাশে, মানবতার পথে’—স্লোগানটি যেন কেবল দেয়াল লিখন নয়, বাস্তবে রূপ নিল চট্টগ্রামের মাটিতে।
‎
‎