ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চসিক প্রশাসকের পিএস মারুফুল হকের অফিস আদেশ বাতিল: নেপথ্য কারণ ও প্রতিক্রিয়া

  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • 6

‎নিজস্ব প্রতিবেদক :
‎
‎জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মারুফুল হক চৌধুরীর সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ আকস্মিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।
‎
গত ৩০ অক্টোবর চসিক সচিবালয় বিভাগ থেকে জারিকৃত এক সংশোধনী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পূর্বের আদেশের সংশ্লিষ্ট অংশটি বাতিল ঘোষণা করায় নগর প্রশাসন ও চসিকের অভ্যন্তরে নতুন করে কৌতূহল ও নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে প্রশাসন এটিকে চসিকের অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক ও রুটিন কার্যক্রমের একটি অংশ এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা রক্ষার সাধারণ প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছে।
‎
‎
‎চসিক সচিবালয় বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সচিবালয় বিভাগ থেকে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছিল। যার স্মারক নং- ৪৬.১১.১৬০০.০০১.৩১.০০০.২৬-১৫১৭। ওই আদেশের মধ্যে প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী সংক্রান্ত একটি নির্দিষ্ট নীতিগত বা নির্দেশনামূলক অংশ প্রযোজ্য ছিল। তবে চসিক প্রশাসকের বিশেষ অনুমোদনক্রমে জারিকৃত নতুন বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বের আদেশের মারুফুল হক চৌধুরী সংক্রান্ত অংশটুকু সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়। চসিকের জনসংযোগ বিভাগ এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, এই আদেশের ফলে সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত নাগরিক সেবা বা প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোনো প্রকার ব্যাঘাত ঘটবে না।
‎
‎
‎আদেশ বাতিলের নেপথ্য কারণ নিয়ে চসিকের একটি নির্ভরযোগ্য ও দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এটি কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা নেতিবাচক কারণে করা হয়নি। মূলত চসিকের সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা কাটাতে, প্রশাসকের দপ্তরের দৈনন্দিন কার্যক্রমে আরও বেশি গতিশীলতা আনা এবং জরুরি দাপ্তরিক কাজের সুষ্ঠু সমন্বয়ের স্বার্থেই চসিক প্রশাসকের আইনি এক্তিয়ারের মধ্যে এই সংশোধন আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজনে আগের আদেশ বাতিল করা হলেও মারুফুল হক চৌধুরী চসিক প্রশাসকের দপ্তরেই থাকছেন। তবে তার কাজের পরিধি ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রগুলোতে কিছু নতুন নিয়ম বা আইনি ফ্রেমওয়ার্ক যুক্ত হতে যাচ্ছে, যা শিগগিরই নতুন আদেশে প্রকাশ করা হতে পারে। নীতিনির্ধারক মহল থেকে জানা গেছে, আগামী দিনগুলোতে চসিকের অন্যান্য বিভাগেও এমন আকস্মিক রুটিন পরিবর্তন আসতে পারে।
‎
‎
‎হঠাৎ অফিস আদেশের অংশবিশেষ বাতিলের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মারুফুল হক চৌধুরী জানান, এটি প্রশাসনের একটি সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ ও দাপ্তরিক বিষয়। সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন authority যেকোনো আদেশের পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে পারেন। চসিক প্রশাসকের দপ্তরের প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখতে যেকোনো সিদ্ধান্তকে তিনি ইতিবাচকভাবেই দেখছেন এবং প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজের দায়িত্ব পালনে তিনি আন্তরিক ও সচেষ্ট রয়েছেন।
‎
‎চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, সিটি কর্পোরেশনের সেবা ও দাপ্তরিক চেইন সচল রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী এমন পরিবর্তন আনা একটি স্বাভাবিক দাপ্তরিক প্রক্রিয়া। নতুন এই নির্দেশনার পর চসিকের মূল প্রশাসনিক কাঠামো আরও সুসংহত হবে।
‎
‎

৫০০ কোটি টাকার ঐতিহাসিক স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

চসিক প্রশাসকের পিএস মারুফুল হকের অফিস আদেশ বাতিল: নেপথ্য কারণ ও প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

‎নিজস্ব প্রতিবেদক :
‎
‎জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মারুফুল হক চৌধুরীর সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ আকস্মিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।
‎
গত ৩০ অক্টোবর চসিক সচিবালয় বিভাগ থেকে জারিকৃত এক সংশোধনী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পূর্বের আদেশের সংশ্লিষ্ট অংশটি বাতিল ঘোষণা করায় নগর প্রশাসন ও চসিকের অভ্যন্তরে নতুন করে কৌতূহল ও নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে প্রশাসন এটিকে চসিকের অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক ও রুটিন কার্যক্রমের একটি অংশ এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা রক্ষার সাধারণ প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছে।
‎
‎
‎চসিক সচিবালয় বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সচিবালয় বিভাগ থেকে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছিল। যার স্মারক নং- ৪৬.১১.১৬০০.০০১.৩১.০০০.২৬-১৫১৭। ওই আদেশের মধ্যে প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী সংক্রান্ত একটি নির্দিষ্ট নীতিগত বা নির্দেশনামূলক অংশ প্রযোজ্য ছিল। তবে চসিক প্রশাসকের বিশেষ অনুমোদনক্রমে জারিকৃত নতুন বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বের আদেশের মারুফুল হক চৌধুরী সংক্রান্ত অংশটুকু সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়। চসিকের জনসংযোগ বিভাগ এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, এই আদেশের ফলে সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত নাগরিক সেবা বা প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোনো প্রকার ব্যাঘাত ঘটবে না।
‎
‎
‎আদেশ বাতিলের নেপথ্য কারণ নিয়ে চসিকের একটি নির্ভরযোগ্য ও দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এটি কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা নেতিবাচক কারণে করা হয়নি। মূলত চসিকের সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা কাটাতে, প্রশাসকের দপ্তরের দৈনন্দিন কার্যক্রমে আরও বেশি গতিশীলতা আনা এবং জরুরি দাপ্তরিক কাজের সুষ্ঠু সমন্বয়ের স্বার্থেই চসিক প্রশাসকের আইনি এক্তিয়ারের মধ্যে এই সংশোধন আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজনে আগের আদেশ বাতিল করা হলেও মারুফুল হক চৌধুরী চসিক প্রশাসকের দপ্তরেই থাকছেন। তবে তার কাজের পরিধি ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রগুলোতে কিছু নতুন নিয়ম বা আইনি ফ্রেমওয়ার্ক যুক্ত হতে যাচ্ছে, যা শিগগিরই নতুন আদেশে প্রকাশ করা হতে পারে। নীতিনির্ধারক মহল থেকে জানা গেছে, আগামী দিনগুলোতে চসিকের অন্যান্য বিভাগেও এমন আকস্মিক রুটিন পরিবর্তন আসতে পারে।
‎
‎
‎হঠাৎ অফিস আদেশের অংশবিশেষ বাতিলের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মারুফুল হক চৌধুরী জানান, এটি প্রশাসনের একটি সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ ও দাপ্তরিক বিষয়। সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন authority যেকোনো আদেশের পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে পারেন। চসিক প্রশাসকের দপ্তরের প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখতে যেকোনো সিদ্ধান্তকে তিনি ইতিবাচকভাবেই দেখছেন এবং প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজের দায়িত্ব পালনে তিনি আন্তরিক ও সচেষ্ট রয়েছেন।
‎
‎চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, সিটি কর্পোরেশনের সেবা ও দাপ্তরিক চেইন সচল রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী এমন পরিবর্তন আনা একটি স্বাভাবিক দাপ্তরিক প্রক্রিয়া। নতুন এই নির্দেশনার পর চসিকের মূল প্রশাসনিক কাঠামো আরও সুসংহত হবে।
‎
‎