নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক বিপ্লব উদ্যানে নির্মিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ও দীর্ঘতম জাতীয় পতাকা। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উদ্যানটির চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন।
নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও এর তাৎপর্য পৌঁছে দিতে চসিক এই নান্দনিক উদ্যোগ হাতে নিয়েছে।
প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, এই জাতীয় পতাকাটি ২২৫ ফুট দীর্ঘ এবং ৯০ ফুট প্রশস্ত হবে, যা আয়তনের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার যেকোনো জাতীয় পতাকার চেয়ে বড়। তবে কেবল বিশালতাই নয়, এই পতাকার নিচে ফুটিয়ে তোলা হবে ১৯৭১ সালের গৌরবময় ইতিহাস। মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার স্মৃতিবিজড়িত এই বিপ্লব উদ্যানকে একটি আন্তর্জাতিক মানের নান্দনিক ও নাগরিকবান্ধব বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাজের গুণগত মান বজায় রাখার তাগিদ দেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ধীরগতি, ত্রুটি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে।
নগরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই উদ্যানটিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে সবুজায়ন ও বিনোদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করা হচ্ছে। মেয়র জানান, নগরবাসীর সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি চট্টগ্রামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ করা চসিকের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিপ্লব উদ্যানের এই নতুন রূপ ও বিশালাকার জাতীয় পতাকা চট্টগ্রামকে পর্যটন ও ঐতিহ্যের মানচিত্রে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।



















