ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার রুটে যুক্ত হচ্ছে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’

  • আপডেট সময় : ০৩:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 19

কক্সবাজার  ও চট্টগ্রামসহ ১২ স্টেশনের যাত্রীরা পাবেন সরাসরি ভ্রমণের সুযোগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

কক্সবাজার রুটে রেলযাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ও টিকিটের তীব্র সংকট কমাতে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন যুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী জনপ্রিয় ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’-এর রুট বাড়িয়ে সরাসরি পর্যটন নগরী কক্সবাজার পর্যন্ত করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রেলওয়ে সূত্র নিশ্চিত করেছে, আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই নতুন এই বর্ধিত রুটে বাণিজ্যিক চলাচল শুরু করবে ট্রেনটি।

 

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে শুধু ঢাকা বা চট্টগ্রামের বাসিন্দারাই নন, বরং দুই মহানগরীর মধ্যবর্তী ১২টি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের যাত্রীরাও কোনো রকম ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি ট্রেনে চেপে সমুদ্রসৈকতে পৌঁছাতে পারবেন।

 

ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর ট্রেনটি মোট ১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে। স্টেশনগুলো হলো: ঢাকা বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী এবং চট্টগ্রামের কুমিরা

 

রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ বা ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ বিরতিহীন হওয়ায় মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর যাত্রীরা বঞ্চিত হচ্ছিলেন। মহানগর এক্সপ্রেস চালু হলে নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা বা ফেনীর মতো বড় জেলার মানুষ ঘরের কাছ থেকেই কক্সবাজারের সরাসরি টিকিট পাবেন।

 

প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে রওয়ানা দেবে। রাতভর ১২টি স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা শেষে পরদিন সকাল ৬টার দিকে এটি কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে পৌঁছাবে।

ফিরতি পথে ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসবে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার মধ্যে কমলাপুর পৌঁছাবে। ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছাতে ট্রেনটির আনুমানিক সাড়ে ৯ ঘণ্টা সময় লাগবে।

 

বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুটি ট্রেন চালু থাকলেও সিটের তুলনায় চাহিদা কয়েক গুণ বেশি। ফলে সাধারণ যাত্রীদের ট্রেনের টিকিট পাওয়া লটারির মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহানগর এক্সপ্রেস যুক্ত হলে এই চাপ অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করছে রেল কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের যাতায়াত আরও অনেক সহজ ও আরামদায়ক হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঈদ আল নোমানের নির্দেশে রাজপথে আকাশ, চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য রুখতে ছাত্রদলের হুংকার

কক্সবাজার রুটে যুক্ত হচ্ছে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’

আপডেট সময় : ০৩:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার  ও চট্টগ্রামসহ ১২ স্টেশনের যাত্রীরা পাবেন সরাসরি ভ্রমণের সুযোগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

কক্সবাজার রুটে রেলযাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ও টিকিটের তীব্র সংকট কমাতে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন যুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী জনপ্রিয় ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’-এর রুট বাড়িয়ে সরাসরি পর্যটন নগরী কক্সবাজার পর্যন্ত করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রেলওয়ে সূত্র নিশ্চিত করেছে, আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই নতুন এই বর্ধিত রুটে বাণিজ্যিক চলাচল শুরু করবে ট্রেনটি।

 

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে শুধু ঢাকা বা চট্টগ্রামের বাসিন্দারাই নন, বরং দুই মহানগরীর মধ্যবর্তী ১২টি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের যাত্রীরাও কোনো রকম ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি ট্রেনে চেপে সমুদ্রসৈকতে পৌঁছাতে পারবেন।

 

ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর ট্রেনটি মোট ১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে। স্টেশনগুলো হলো: ঢাকা বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী এবং চট্টগ্রামের কুমিরা

 

রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ বা ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ বিরতিহীন হওয়ায় মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর যাত্রীরা বঞ্চিত হচ্ছিলেন। মহানগর এক্সপ্রেস চালু হলে নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা বা ফেনীর মতো বড় জেলার মানুষ ঘরের কাছ থেকেই কক্সবাজারের সরাসরি টিকিট পাবেন।

 

প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে রওয়ানা দেবে। রাতভর ১২টি স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা শেষে পরদিন সকাল ৬টার দিকে এটি কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে পৌঁছাবে।

ফিরতি পথে ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসবে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার মধ্যে কমলাপুর পৌঁছাবে। ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছাতে ট্রেনটির আনুমানিক সাড়ে ৯ ঘণ্টা সময় লাগবে।

 

বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুটি ট্রেন চালু থাকলেও সিটের তুলনায় চাহিদা কয়েক গুণ বেশি। ফলে সাধারণ যাত্রীদের ট্রেনের টিকিট পাওয়া লটারির মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহানগর এক্সপ্রেস যুক্ত হলে এই চাপ অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করছে রেল কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের যাতায়াত আরও অনেক সহজ ও আরামদায়ক হবে।